Showing posts with label বাংলা. Show all posts
Showing posts with label বাংলা. Show all posts

Sunday, November 11, 2018

বাংলা ১ম পত্র "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক তথ্যাবলী


বাংলা ১ম পত্র "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক তথ্যাবলী


★প্রধান চরিত্র সিরাজউদ্দৌলা
★ইতিবাচক চরিত্র সিরাজউদ্দৌলা,আমিনা বেগম,মোহন লাল,মির মর্দান,সেনাপতি সাফ্রে,রাইসুল জুহালা
★ক্লেটন বেঈমান বলেছে ওয়ালী খান কে।
★গভর্ণর ছিলেন রজার ড্রেক
★গভর্ণর ড্রেকের ধ্বংস চায় উমিচাদ
★"বৃটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড় লজ্জার কথা">উমিচাদ
★গোপনে অস্ত্র আমদানি হয় কাশিমবাজারে
★হলওয়েল ছিলেন ইংরেজ ডাক্তার
★নবাব ছাউনীতে খবর পাঠিয়েছে উমিচাদের গুপ্তচর
★সিরাজউদ্দৌলার সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাদঁ
★ওয়ালী খান কোম্পানির টাকার জন্য তাদের পক্ষে যুদ্ধ করেছে
★ইংরেজরা এদেশে বানিজ্যের অনুমতি পেয়েছিলো নবাব আলীবর্দি খান থেকে
★ইংরেজরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গে বসে
★উমিচাদ নবাবের কাছে অনুরোধ করে কৃষ্ণবল্লভের মুক্তির
★পলাশী ভাগিরথী নদীর তীরে অবস্থিত
★কলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে জাহাজে ডুকে ড্রেক,মার্টিন,হ্যারীরা
★কিলপ্রাট্রিক ২৫০ জন সৈন্য নিয়ে আসে
★"ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থ বদলে গেছে আপনার কাছে">মার্টিন
★ড্রেক লাহোর হয়ে বাংলাদেশে এসেছে
★১২০০০ টাকার বিনিময়ে মানিকচাদ ইংরেজদের কলকাতাতে ব্যবসায়ের অনুমতি দিয়েছিলো
★সকলের লাভ হবে শওকতজঙ্গ নবাব হলে
★ইংরেজদের চারগুন দামে জিনিসপত্র কিনতে হতো
★কিলপ্রাট্রিক,মার্টিন ৭০ টাকা বেতনের কর্মচারী
★কলকাতার দেওয়ান মানিকচাদ
★নবাবের বিশ্বস্ত সেনাপতি মোহনলাল
★মিরজাফর কোরআন শরীফ ছুয়ে প্রতিজ্ঞা করেছলো
★মিরন নাচগানে বেশি মশগুল থাকতেন
★মিরজাফর উমিচাদকে কালকেউটে বলেছিলো
★চুক্তি অনুযায়ী কলকাতাবাসী ৭০ লক্ষ টাকা পাবে
★মিরনের আদেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়
★সিরাজউদ্দৌলা একটি ঐতিহাসিক নাটক
★প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে
★নাটকে ৪ টি অংক,১২ টি দৃশ্য রয়েছে
★মির জাফরের ৩ পুত্র ছিলো
★আলিনগর চুক্তি ১৭৫৭ সালে বাংলার নবাব ও ইংরেজ প্রতিনিধি রবার্ট ক্লাইভের মাঝে হয়
★সন্ধি অনুযায়ী মির জাফর শুধুমাত্র মাত্র মসনধে বসবে
★পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের সৈন্য ছিলো তিন হাজার,নবাবের পক্ষে পঞ্চাশ হাজারের বেশি
★সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে মোহাম্মদি বেগ

দর্শক আপনার জন্য আমি/আমাদের এই পরিশ্রম। আমার/আমাদের পরিশ্রম তখনই সার্থক হবে, যখন শুনব এতে আপনি উপকৃত হয়েছেন।  কাজেই আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি করতে ভুলবেন না। আপনাদের এই মন্তব্যগুলো হবে আমাদের পথচলার একমাত্র সম্ভল। অবশেষে বলতে চাই, ভুল থাকবে না এটা দাবি করা নিজের অজ্ঞাতা বহন করবে।  তবে আপ্রণ চেষ্টা করেছি ভুলকে এড়াতে। তারপরেও ভুল থেকে গেলে মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে ক্ষমা করে দিবেন।  ধন্যবাদ।  কথা হবে আগামী কোন এক পোস্টে।  আপনার কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের ই-মেইল, ও নিচে কমেন্ট বক্সে জানান অচীরে আমরা উত্তর দিব।  আপনাদের সু-স্বাস্থ্য কমনা করি। নিজে ভাল থাকুন, অন্যকে ভাল রাখুন।  পোস্টটি আপনার বন্ধুদের জানাতে শেয়ার করুন। আবারো ধন্যবাদ, RS Learning Home এর সাথেই থাকুন।
(সংগৃহীত)

বাংলা_ব্যাকরণ: আলোচ্য বিষয়ে যতসব প্রশ্ন হতে পারে তার সমাহার।

বাংলা_ব্যাকরণ: আলোচ্য বিষয়ে যতসব প্রশ্ন হতে পারে তার সমাহার।


১) ণত্ব ও ষত্ব বিধান আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্বে
২) শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় – রূপ
৩) রূপ গঠন করে – শব্দ
৪) শব্দতত্ত্বের অপর নাম – রূপতত্ত্ব
৫) বাক্যতত্ত্বের অপর নাম – পদক্রম
৬) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে – প্রাতিপদিক
৭) সাধিত শব্দ – হাতা, গরমিল। দম্পতি
৮) সাধিত শব্দ – ২ প্রকার
৯) প্রকৃতি – ২ প্রকার ১০) নাম প্রকৃতির উদাহরণ – হাতল, ফুলেল, মুখর
১১) প্রত্যয় – ২ প্রকার
১২) বাংলা ভাষায় উপসর্গ – ৩ প্রকার
১৩) সংস্কৃত উপসর্গ – ২০ টি
১৪) সংস্কৃত উপসর্গ – প্র, পরা, অপ
১৫) বাংলা উপসর্গ – ২১ টি
১৬) বাংলা উপসর্গ – অ, অনা, অঘা, অজ, আ, আব, নি
১৭) বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি সমূহ – ২ প্রকার
১৮) ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় – বর্ণ
১৯) বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ – ৫০ টি
২০) স্বরবর্ণ – ১১ টি
২২) ব্যঞ্জন বর্ণ – ৩৯ টি
২৩) বাংলায় – ২ টি যৌগিক স্বরধ্বনি ( ঐ, ঔ)
২৪) স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় – কার
২৫) ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে – ফলা
২৬) ক থেকে ম পর্যন্ত – ২৫ টি স্পর্শধ্বনি
২৭) দন্ত্য বর্ণ – ত, থ,দ, ধ
২৮) ওষ্ঠ বর্ণ – প, ফ, ব,ভ, ম
২৯) মূর্ধণ্য বর্ণ – ট, ঠ, ড,ঢ,ণ
৩০) উচ্চারনের স্থানের নামানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণ সমূহ – ৫
ভাগে বিভক্ত
৩১) পরাশ্রয়ী বর্ণ – ৩ টি( ং, ঃ, ঁ)
৩২) নাসিক্য বর্ণ -৫ টি ( ঙ, ঞ, ণ, ন, ম)
৩৩) বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি -২৫ টি
৩৪) স্পর্শ বর্ণ – ২৫ টি ( ক থেকে ম পর্যন্ত)
৩৫) স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি গুলো – ২ ভাগে বিভক্ত ( অঘোষ ও
ঘোষ)
৩৬) অঘোষ ধ্বনি – ক, খ, চ, ছ
৩৭) ঘোষ ধ্বনি – গ, ঘ, জ, ঝ
৩৮) ঘোষ ধ্বনি – ২ প্রকার ( অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ)
৩৯) অল্পপ্রাণ ধ্বনি – ক,গ, চ,জ
৪০) মহাপ্রাণ ধ্বনি – খ,ঘ, ছ,ঝ


দর্শক আপনার জন্য আমি/আমাদের এই পরিশ্রম। আমার/আমাদের পরিশ্রম তখনই সার্থক হবে, যখন শুনব এতে আপনি উপকৃত হয়েছেন।  কাজেই আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি করতে ভুলবেন না। আপনাদের এই মন্তব্যগুলো হবে আমাদের পথচলার একমাত্র সম্ভল। অবশেষে বলতে চাই, ভুল থাকবে না এটা দাবি করা নিজের অজ্ঞাতা বহন করবে।  তবে আপ্রণ চেষ্টা করেছি ভুলকে এড়াতে। তারপরেও ভুল থেকে গেলে মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে ক্ষমা করে দিবেন।  ধন্যবাদ।  কথা হবে আগামী কোন এক পোস্টে।  আপনার কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের ই-মেইল, ও নিচে কমেন্ট বক্সে জানান অচীরে আমরা উত্তর দিব।  আপনাদের সু-স্বাস্থ্য কমনা করি। নিজে ভাল থাকুন, অন্যকে ভাল রাখুন।  পোস্টটি আপনার বন্ধুদের জানাতে শেয়ার করুন। আবারো ধন্যবাদ, RS Learning Home এর সাথেই থাকুন।

 (সহায়ক বই - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষার প্রশ্নব্যাংক, নবম-দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বই। বিভিন্ন লেখকের ব্যাকরণ বই।)

রায়হান শরীফ (রিমন)
          প্রতিষ্ঠাতা
RS Learning Home

 বিখ্যাত বাংলা প্রহসন


আরএসএলএইচ ডেস্ক:

অমৃতলাল বসু (১৮৫৩-১৯২৯)    বিবাহ বিভ্রাট, সম্মতি সঙ্কট, কালা পানি, বাবু, একাকার, বৌমা, গ্রাম্য বিভ্রাট, বাহবা বাতিক, খাস দখল, চোরের উপর বাটপাড়ি, ডিসমিস, চাটুয্যে ও বাড়–য্যে, তাজ্জব ব্যাপার, কৃপনের ধন।
 
গিরিশ চন্দ্র ঘোষ (১৮৪৪-১৯১২)    সপ্তমীতে বিসর্জন, বেল্লিক বাজার, বড়দিনের বকশিস, সভ্যতার পান্ডা
 
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫)    কিঞ্চিৎ জলযোগ, (১৮৭২), এমন কর্ম আর করব না (১৮৭৭), হঠাৎ নবাব (১৮৮৪), হিতে বিপরীত (১৮৮৬), দায়ে পড়ে দারগ্রহ। রামনারায়ন তর্করত্ন    যেমন কর্ম তেমন ফল (১৯৭৯ বঙ্গাব্দ), উভয় সঙ্কট (১৯৬৯), চক্ষুদান (১৯৬৯)।
 
মাইকেল মধুসুধন দত্ত ( ১৮২৪-১৮৭৪)    একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো (১৮৬০)।
 
মীর মোশারফ হোসেন( ১৮৪৭-১৯১২)    এর উপায় কি( ১৮৭৫), ভাই, ভাই এই তো চাই (১৮৯৯), ফাঁস কাগজ, একি (১৮৯৯)।
 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( ১৮৬১-১৯৪১)    বৈকণ্ঠের খাতা (১৮৯৭), ব্যঙ্গ কৌতুক (১৯০৭), হাস্য কৌতুক ( ১৯০৭), চিরকুমার সভা (১৯২৬), শেষ রক্ষা ( ১৯২৮)।
 
দীনবন্ধু মিত্র( ১৮৩০-১৮৭৩)    সধবার একাদশী (১৮৬৬), বিয়ে পাগলা বুড়ো ( ১৮৬৬), জামাই বারিক ( ১৮৭২)।
 
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়    কল্কি অবতার (১৮৯৫), বিরহ ( ১৮৯৭), এ্যহস্পর্শ (১৯০০), প্রায়শ্চিত্ত ( ১৯০২)।

দর্শক আপনাদের জন্য আমাদের এই পরিশ্রম।  আমাদের পরিশ্রম তখনই সার্থক হবে যখন আপনারা উপকৃত হবেন।  আমরা আশায় থাকি আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের জন্য। কাজেই আপনার অনুভূতি প্রকাশ করুন নিচের কমেন্ট বক্সে। আপনার কিছু জানার থাকলে কমেন্টে বা আমাদের ইমেইলে জানান পারেন, অচিরে আমরা আপনার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।

Saturday, November 10, 2018

সকল প্রতিযোগিতামুলক পরিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস







বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস


আধুনিক বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল থেকে শুরু হয়েছে? উঃ ১৮০১ সাল থেকে।
(প্রস্তুতিপর্বঃ ১৮০০-১৮৬০, বিকাশপর্বঃ ১৮৬০-১৯০০,
রবীন্দ্রপর্বঃ ১৯০০-১৯৩০, রবীন্দ্রোত্তরঃ ১৯৩০-১৯৪৭ ও
বাংলাদেশঃ ১৯৪৭-বর্তমান পর্যন্তু)


বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে? উঃ সপ্তম শতাব্দী।
পানিনি রচিত গ্রন্থের নাম কি? উঃ ব্যাকরণ অষ্টাধয়ী।
পানিণি কোন ভাষার ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন? উঃ সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি? উঃ বৈদিক।
বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক নিদর্শন কি? উঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
বাংলা ভাষা কোন আদি বা মূল ভাষা গোষ্ঠীর অর্ন্তগত? উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী।
বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে কোন দশকে? উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন রূপ কোথায় পাওয়া যায়? উঃ প্রাচীন গ্রন্থ ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলোতে।


কখন থেকে বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়? উঃ আধুনিক যুগে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে খ্রীষ্টপূর্ব কত পর্যন্ত বাংলা ভাষার অস্তিত্ব ছিল? উঃ পাঁচ হাজার বছর।
আর্য ভারতীয় গোষ্ঠীর প্রাচীনতম সাহিত্যের ভাষার নাম কি? উঃ বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোন ভাষা? উঃ বৈদিক ভাষা।
বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষা পর্যন্ত বিবর্তনের প্রধান তিনটি ধারা কি কি? উঃ প্রচীন ভারতীয় আর্য, মধ্য ভারতীয় আর্য ও নব্য ভারতীয় আর্য।
কোন ভাষা বৈদিক ভাষা নামে স্বীকৃত? উঃ আর্যগণ যে ভাষায় বেদ-সংহিতা রচনা করেছেন।
কোন ব্যাকরণবিদের কাছে সংস্কৃত ভাষা চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়? উঃ ব্যাকরণবিদ পানিনি।
সংস্কৃত ভাষা কত অব্দে চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়? উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ সময়ে।
কোন ভাষাকে প্রাকৃত ভাষা বলে? উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ খ্রীঃ দিকে বৈদিক ভাষা বির্বতনকালীণ সময়ে
জনসাধারন যে ভাষায় নিত্য নতুন কথা বলত।


প্রাকৃত ভাষা বিবর্তিত হয়ে শেষ যে স্তরে উপনীত হয়, তার নাম কি? উঃ অপভ্রংশ।
সুনীত কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভর কোন অপভ্রংশ থেকে? উঃ পূর্ব ভারতে প্রচলিত মাগবী অপভ্রংশ।
কখন মাগবী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়? উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎস কোন অপভ্রংশ থেকে? উঃ গৌড় অপভ্রংশ থেকে।
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি? উঃ মাগধী প্রাকৃত।
প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার স্তর কয়টি? উঃ তিনটি।
বৈদিক ভাষা হতে বাংলা ভাষায় বিবর্তনের প্রধান ধারা কয়টি? উঃ তিনটি।
বাংলা ভাষা কোন গোষ্ঠীর বংশধর? উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর।



রায়হান শরীফ রিমন
পরিচালক
RS Learning Home